June 23, 2024

আলোরকণ্ঠ

একটি সুন্দর দেশের জন্য

অপূর্ব সৌন্দর্য মোড়া ঠাকুরগাঁওয়ের জমিদার বাড়ি জামে মসজিদ।

0 0
Read Time:8 Minute, 53 Second

মোঃ মামুন অর-রশীদ,
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

ঠাকুরগাঁও শহর থেকে ১৩
কিলোমিটার পশ্চিমে-দক্ষিণে অবস্থিত ঠাকুরগাঁও-পীরগজ্ঞ মহাসড়কের শিবগঞ্জ বাজারের পশ্চিম পার্শ্বে ৪ কিমি দুরে জামালপুর জমিদার বাড়ি জামে মসজিদটি অবস্থিত। ঠাকুরগাঁওয়ের ৫টি উপজেলায় ছড়িয়ে থাকা অনেক পুরাকীর্তির মধ্যে ২৪০ বছরেরও অধিক পুরাতন জামালপুর জমিদার বাড়ির এই মসজিদটি অন্যতম। এর নির্মাণশৈলী ও অপূর্ব কারুকাজ মুগ্ধ করে যে কোন দর্শনার্থীকে।
১৭৮০ শতাব্দীতে মসজিদটির ভিত্তি স্থাপন করেন তৎকালীন জমিদার আব্দুল হালিম চৌধুরী।
জামালপুর চৌধুরী পরিবার সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম বাংলার তৎকালীন উত্তর দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট মহকুমার রায়গঞ্জ থানার বারোর পরগনা তাজপুর গ্রামে পীর বংশে জন্ম গ্রহণ করেন আব্দুল হালিম। ১৭৬৫ শতাব্দীর দিকে আব্দুল হালিম কাপড়ের ব্যবসার উদ্দেশ্যে তাজপুর থেকে বসন্ত নগরে আসেন। যার বর্তমান নামকরণ করা হয়েছে জামালপুর এবং সেখানে তিনি বসতি স্থাপন করেন।

কাপড়ের ব্যবসা করতে করতে তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের জমিদার লালা মুক্তি প্রসাদ নন্দের কাছে লাটের পারপূগী মৌজার প্রায় ১ হাজার বিঘা জমি কেনার মাধ্যমে জমিদারি পান আব্দুল হালিম চৌধুরী। ১৭৭০ দশকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া প্রশাসন তাকে চৌধুরী উপাধিতে ভূষিত করে। জমিদার থাকাকালীন সময়ে পর্যায়ক্রমে তিনি মোট ২৬ হাজার একর জমি কিনেছিলেন। বর্তমানে সেই জমিগুলো ৩ জেলার ৮ থানায় পড়েছে।

জানা যায়, আব্দুল হালিম চৌধুরী ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে তার রাজ প্রাসাদ নির্মাণের কাজ শুরু করেন। রাজ প্রাসাদের দ্বিতীয় তলার নির্মাণ কাজ চলাকালীন ১৭৮০ দশকে ভারতের উত্তর প্রদেশের এলাহবাদ থেকে মিস্ত্রী এনে এই মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন তিনি। এর কিছুদিন পর আব্দুল হালিম চৌধুরীর মৃত্যু হলে জমিদারত্ব পান তার ছেলে রওশন আলী চৌধুরী। পরে রওশন আলী চৌধুরীর মৃত্যু হলে তার ছেলে জামাল উদ্দীন চৌধুরী জমিদারির দায়িত্বভার বহন করেন এবং মসজিদ নির্মাণ কাজ চলমান রাখেন। জামাল উদ্দীন চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার ছেলে নুনু মোহাম্মদ চৌধুরী ১৮০১ দশকে মসজিদটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন। মসজিদটি নির্মাণ করতে চার পুরুষের প্রায় ২১ বছর সময় লাগে। মসজিদ নির্মাণের প্রধান দুই মিস্ত্রী হংস রাজ ও রামহিৎ হিন্দু ধর্মের ছিলেন। জমিদারবাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার ফলে মসজিদের ব্যয়বহুল নির্মাণ কাজ শেষ হলেও জমিদার বাড়িটির নির্মাণ অসমাপ্ত থেকে যায়।

জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদের অঙ্গনে প্রবেশমুখে বেশ বড় সুন্দর একটি তোরণ রয়েছে। মসজিদটির শিল্পকলা দৃষ্টিনন্দিত, মনোমুগ্ধকর ও প্রশংসাযোগ্য। মসজিদে বড় আকৃতির তিনটি গম্বুজ আছে। গম্বুজের শীর্ষদেশ পাথরের কাজ করা। এই মসজিদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো মিনারগুলো। মসজিদের ছাদে ২৪টি মিনার আছে। একেকটি মিনার ৩৫ ফুট উঁচু এবং প্রতিটিতে নকশা করা রয়েছে। গম্বুজ ও মিনারের মিলনে সৃষ্টি হয়েছে অপূর্ব সৌন্দর্য। এত মিনার সচরাচর কোনও মসজিদে দেখা যায় না। মসজিদটির চারটি অংশ হলো মূল কক্ষ, মূল কক্ষের সঙ্গে ছাদসহ বারান্দা, ছাদবিহীন বারান্দা এবং ছাদবিহীন বারান্দাটি অর্ধ প্রাচীরে বেষ্টিত হয়ে পূর্বাংশে মাঝখানে চার থামের উপর ছাদ বিশিষ্ট মূল দরজা। খোলা বারান্দার প্রাচীরে এবং মূল দরজার ছাদে ছোট ছোট মিনারের অলংকার রয়েছে। মসজিদটির মূল দৈর্ঘ্য ৪১ ফুট ৬ ইঞ্চি। প্রস্থ ১১ ফুট ৯ ইঞ্চি। মসজিটির বারান্দা দুইটি। প্রথম বারান্দার দৈর্ঘ্য ৪১ ফুট ২ ইঞ্চি ও প্রস্থ ১১ ফুট ৩ ইঞ্চি এবং দ্বিতীয় বারান্দার দৈর্ঘ্য ৪১ ফুট ২ ইঞ্চি, প্রস্থ ১৯ ফুট ৫ ইঞ্চি। মূল কক্ষের কোণগুলো তিন থাম বিশিষ্ট। এর জানালা দুটি, দরজা তিনটি, কুলুঙ্গি দুটি। মসজিদটির ভিতরে দরজায়, বারান্দায় এবং বাইরের দেয়ালগুলোতে প্রচুর লতাপাতা ও ফুলের সুদৃশ্য নকশা রয়েছে। এক সাথে এই মসজিদে ৩শ’ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারে।

১৮৮৫ সালের দিকে ইমদাদুর রহমান চৌধুরী সেই স্থানটির নাম বসন্ত নগর পরিবর্তন করে জামাল উদ্দীন চৌধুরীর নামানুসারে জামালপুর নামকরণ করেন । বর্তমানে এটি জামালপুর এষ্টেট নামে পরিচিত।

জামালপুর জমিদার বাড়ির ৯ম পুরুষের সদস্য আবেদুর রহমান চৌধুরী বলেন, ১৯৬৫ সালের দিকে মসজিদটির ১১টি মিনার ঝড় বৃষ্টিতে ভেঙ্গে যায়। তার মধ্যে ৭টি মিনার তৎকালীন চৌধুরী পরিবারের সদস্যরা মেরামত করেন এবং আরও ৪টি মিনার এখনো ভাঙ্গা অবস্থায় আছে।

তিনি আরও বলেন, ১০ থেকে ১৫ বছর আগে মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর নিলেও এখন পর্যন্ত মসজিদটি সংরক্ষণে তারা কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার যদি মসজিদটি সংরক্ষণের জন্য সুদৃষ্টি দিত তাহলে এটি আরও দৃষ্টিনন্দিত হয়ে থাকবে বলেও মনে করেন তিনি।

১৯৯৫ সাল থেকে মসজিদের ইমামতি করে আসছেন হাফেজ মোঃ রুহুল আমীন।
মসজিদ দেখতে আসা ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানা থেকে ঘুরতে আসা আবদুল মান্নান বলেন,বাড়ির পাশে কিন্তু কোনদিন আসা হয়নি, আজকে স্বচক্ষে দেখে খুব ভালো লাগলো।
যেহেতু এটি অতি পুরাতন একটি মসজিদ, তাই এটিকে সংরক্ষণের জন্য সরকারের কাছে আমি জোর দাবি জানাই।
এখানে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা মসজিদটির কারুকাজ দেখে অবাক হয়ে বলেন, সরকার যদি মসজিদটি সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাহলে এটি ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে থাকবে ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এটি দেখতে পারবে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার আবু তাহের মোঃ শামসুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন,ইতোমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মসজিদ সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও প্রশাসন থেকে উক্ত মসজিদটির সংষ্কারের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
sarah banks full videos isabela ramírez only fans povcreampie.com dana wheeler nicholson nude asian massage - happy end, la paisa del rolo mujer luna bella porn porn-foot.com paris hilton sex tape miley cyrus porn video, lauren alexis sex tape mayoiga no onee san analnyfisting.com videos pornos y sexo come play with me
escort san fernando valley most watched pornhub videos hotsexvideo.vip yor forger rule 34 nude videos of older women, yvonne de carlo nudes virtual real porn free latexporn.win naked grils in bed green eyed girlfriend gets fucked hard, hunter x hunter hentai nude pics of katie perry videoprono.vip gabbie carter and nikki venom the cursed prince - derpixon
fem dom forced bi gropping in the train pornovideos.win quiero ver peliculas pornos latina big booty lesbians, best porn sites reddit cartoon por n videos xbideo.win barthar and sistar xxx buttman at nudes a poppin 2, michela de rossi nude megan thee stallion najed xxnxporn.vip beautiful indian girl sex star wars underworld: a xxx parody